প্রশ্নঃ মূক ও
বধির শিশুদের শিক্ষাদানের পদ্ধতিগুলি সম্পর্কে আলোচনা করো। প্রশ্ন মানঃ৪
§ মূক ও বধির শিক্ষার্থীঃ
যে সমস্ত শিশু শিক্ষার্থী
জন্মগত দিক থেকে বা প্রকৃতিগত দিক থেকে বোবা এবং বধির তাদেরকে আমরা বধির ও শিক্ষার্থী
বলে থাকি।
§ মূক ও বধির শিশুদের শিক্ষাদান পদ্ধতিঃ
মুখ ও বধির শিশুরা স্বাভাবিক শিশুর থেকে আলাদা তাই
এদের শিক্ষাদান পদ্ধতিও বিজ্ঞানসম্মত ভাবে আলাদাভাবে করে গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে কয়েকটি
পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-
· মৌখিক পদ্ধতিঃ
মনোবিদ জুয়ান পাবলো বনে
বধির শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। ঠোট নাড়ানোর মাধ্যমে
ভাষার জ্ঞান শিক্ষার্থীরা গ্রহণ করে, এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের ঠোঁট গভীর
মনোযোগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করে।
· সঞ্চালনমূলক পদ্ধতিঃ
এই পদ্ধতিতে হস্ত চালানোর
মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মনের ভাবকে বোঝার চেষ্টা করে এবং শিক্ষক ও মনের ভাব বোঝানোর চেষ্টা
করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে আঙুলের সাহায্যে হাতের তালুতে স্পর্শের ভিতর দিয়ে বিভিন্ন
মনের ভাব প্রকাশ করা হয়।
·
স্পর্শ
পদ্ধতিঃ
মনোবিদ কে টি আলকন এবং সোফিয়া
আলকন সর্বপ্রথম এই স্পর্শ পদ্ধতির কথা বলেন। এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া এই পদ্ধতির মাধ্যমে
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের ঠোঁটে মুখের সামনে এবং কণ্ঠনালীতে হাত রেখে স্পর্শের মাধ্যমে
শব্দ কে আয়ত্ত করার চেষ্টা করে।
· যন্ত্র ভিত্তিক পদ্ধতিঃ
মুখ ও বধির শিশুরা দর্শনগত
দিক থেকে সুস্থ থাকে সেই কারণে বিভিন্ন ফিল্ম প্রজেক্টর এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীকে কোন
বিষয়ে জ্ঞান দেওয়া যায়। যদি কোন শিক্ষার্থী সামান্য বধির হয় তবে তাকে শ্রবণ সহায়ক
যন্ত্রের মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া যেতে পারে।
জ্ঞ্যানজ্যোতি কোচিং সেন্টার
তোমাদের উজ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলব আমরা, এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি
অনলাইনে কোচিং নিতে হলে এবং বিভিন্ন নোট নিতে হলে এই নাম্বারে কল করুন।